রাজধানী টাইমস

ব্যালন ডি’অর পাওয়া প্রসঙ্গে মেসির জন্য বড় সুখবর


খেলাধুলা ডেস্ক
খেলাধুলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যালন ডি’অর পাওয়া প্রসঙ্গে মেসির জন্য বড় সুখবর

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে লিওনেল মেসিকে ঘিরে এসেছে বড় এক ইতিবাচক খবর। ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই পুরস্কার জিততে হলে কোনো ফুটবলারকে ইউরোপের ক্লাবে খেলতেই হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেললেও নবমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে থাকছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তে এসে যখন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনাল নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্যালন ডি’অর নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন হিসাব-নিকাশ। এর মধ্যেই আয়োজক সংস্থা পুরস্কারটির নিয়ম নিয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছে।

ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে শুরুতে শুধু ইউরোপের লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদেরই বিবেচনা করা হতো। ১৯৯৫ সালে নিয়ম পরিবর্তন করে এটি আন্তর্জাতিক করা হলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলার শর্ত কিছুদিন বহাল ছিল। তবে ২০০৭ সাল থেকে সেই সীমাবদ্ধতাও পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের যেকোনো দেশের ক্লাবে খেলা সেরা ফুটবলারই এই পুরস্কারের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছেন।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিশ্বকাপ ফাইনালে ১১ রেকর্ডের সামনে লিওনেল মেসি

কর্তৃপক্ষ জানায়, ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে গত ১৮টি আসর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি—তারা সবাই ব্যালন ডি’অর জয়ের বছরে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছিলেন। পরবর্তী সময়ে লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলেই এই পুরস্কার অর্জন করেন।

তবে ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য রেকর্ড রয়েছে শুধু একজনের—লিওনেল মেসির। ২০২৩ সালে যখন তিনি অষ্টমবারের মতো এই পুরস্কার জেতেন, তখন তিনি ইতোমধ্যে ইন্টার মিয়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। এর মাধ্যমে ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে ব্যালন ডি’অর জেতা প্রথম পুরুষ ফুটবলার হন মেসি।

ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পুরস্কারের ক্ষেত্রে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা যে কোনো ফুটবলারই নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে এই সম্মান অর্জন করতে পারেন।

কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্যের পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। চলমান বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আর্জেন্টাইন তারকা এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচে করেছেন আট গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও চারটি গোল। তার নেতৃত্বেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে নিজের সেরা পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে নবম ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে আরও শক্ত অবস্থানে চলে যাবেন আটবারের এই পুরস্কারজয়ী।

বিষয় : লিওনেল মেসি ব্যালন ডি’অর

রাজধানী টাইমস

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


ব্যালন ডি’অর পাওয়া প্রসঙ্গে মেসির জন্য বড় সুখবর

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে লিওনেল মেসিকে ঘিরে এসেছে বড় এক ইতিবাচক খবর। ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই পুরস্কার জিততে হলে কোনো ফুটবলারকে ইউরোপের ক্লাবে খেলতেই হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেললেও নবমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে থাকছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তে এসে যখন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনাল নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্যালন ডি’অর নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন হিসাব-নিকাশ। এর মধ্যেই আয়োজক সংস্থা পুরস্কারটির নিয়ম নিয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছে।

ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে শুরুতে শুধু ইউরোপের লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদেরই বিবেচনা করা হতো। ১৯৯৫ সালে নিয়ম পরিবর্তন করে এটি আন্তর্জাতিক করা হলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলার শর্ত কিছুদিন বহাল ছিল। তবে ২০০৭ সাল থেকে সেই সীমাবদ্ধতাও পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের যেকোনো দেশের ক্লাবে খেলা সেরা ফুটবলারই এই পুরস্কারের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছেন।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিশ্বকাপ ফাইনালে ১১ রেকর্ডের সামনে লিওনেল মেসি

কর্তৃপক্ষ জানায়, ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে গত ১৮টি আসর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি—তারা সবাই ব্যালন ডি’অর জয়ের বছরে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছিলেন। পরবর্তী সময়ে লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলেও ইউরোপের ক্লাবে খেলেই এই পুরস্কার অর্জন করেন।

তবে ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য রেকর্ড রয়েছে শুধু একজনের—লিওনেল মেসির। ২০২৩ সালে যখন তিনি অষ্টমবারের মতো এই পুরস্কার জেতেন, তখন তিনি ইতোমধ্যে ইন্টার মিয়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। এর মাধ্যমে ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে ব্যালন ডি’অর জেতা প্রথম পুরুষ ফুটবলার হন মেসি।

ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পুরস্কারের ক্ষেত্রে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা যে কোনো ফুটবলারই নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে এই সম্মান অর্জন করতে পারেন।

কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্যের পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। চলমান বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আর্জেন্টাইন তারকা এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচে করেছেন আট গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও চারটি গোল। তার নেতৃত্বেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে নিজের সেরা পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে নবম ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে আরও শক্ত অবস্থানে চলে যাবেন আটবারের এই পুরস্কারজয়ী।


রাজধানী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. শাহিদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত রাজধানী টাইমস ২৪