শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিংকের প্রয়োজনীয়তা এবং জিংক সমৃদ্ধ খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে ঠাকুরগাঁওয়ে করা হয়েছে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম। কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে জিংকের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ) দুপুরে সদর উপজেলার মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের বাস্তবায়নে ‘রিয়েক্টস-ইন’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করে ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন—ইএসডিও।
কর্মসূচিতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এ সময় মানবদেহে জিংকের প্রয়োজনীয়তা, জিংকের ঘাটতির ক্ষতিকর প্রভাব এবং ঘাটতি পূরণে জিংক সমৃদ্ধ খাবারের ভূমিকা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২, ব্রি ধান-১০০, ব্রি ধান-৮৪ ও ব্রি ধান-৭৪-এর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইএসডিও রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের ফোকাল কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলম। তিনি বলেন, মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে জিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পর্যাপ্ত জিংক গ্রহণ প্রয়োজন।
তিনি জিংকের ঘাটতি পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২, ব্রি ধান-১০০, ব্রি ধান-৮৪ ও ব্রি ধান-৭৪-এর ভূমিকা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দেন। একই সঙ্গে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।
হারভেস্টপ্লাসের প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. শাহীনুল কবির বলেন, শুধু নিজেরা সচেতন হলেই হবে না; জিংকের প্রয়োজনীয়তা ও জিংক সমৃদ্ধ খাবারের উপকারিতা সম্পর্কে পরিবার, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদেরও জানাতে হবে। এর মাধ্যমে সমাজের আরও বেশি মানুষ পুষ্টি বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হারভেস্টপ্লাসের প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. শাহীনুল কবির, ইএসডিও ও রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের ফোকাল কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলম, প্রজেক্ট অফিসার মো. আবু তালহা শিশিরসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা।