রাজধানী টাইমস

কুমিল্লায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শুভ্রকে নানা ভাবে হয়রানি ও হত্যার হুমকির অভিযোগ



কুমিল্লায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শুভ্রকে নানা ভাবে হয়রানি ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

কুমিল্লায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ  শুভ্রর ওপর লাগামহীন অপরাধচক্র

একের পর এক মামলা ও জিডি করেও মিলছে না  কুমিল্লার এ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীর জীবনের নিরাপত্তা। 

কুমিল্লা নগরীতে পেশাজীবী ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রর ওপর দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে ধারাবাহিক হামলা, চক্রান্ত, চাঁদাবাজি এবং নানামুখী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে একটি সংগঠিত অপরাধী চক্র।  জিআর ও সিআর মামলা, থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সরকারের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি দিয়েও কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা ও প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এই সাংবাদিক। বর্তমানে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল  ২০২৬ তারিখে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র নিজে বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫–৬ জনকে আসামি করে কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত–১ এ একটি সিআর (CR) মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ১৪৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৮৫, ৪২০, ৫০০, ৫১১, ৩৭৯ এবং ৫০৬(২)/৩৪ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়, যার নম্বর ৬১৫/২৫।

কুমিল্লা নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড ইসলামপুরের বাসিন্দা সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান, ২০১৭ সালের ৩ মে থেকে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন। পেশাগত কাজে বাধা, চাঁদা দাবি, প্রকাশ্যে মারধর, এমনকি নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে আসা হেলমেটধারী দুর্বৃত্তরা তাঁর পথরোধ করে ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় এর আগে দু’জন আসামি গ্রেপ্তার হলেও বাকি সহযোগীরা এখনো মামলা প্রত্যাহারের জন্য ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছেন মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে। তাঁর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আরও দুটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে, যার একটির এফআইআর নম্বর ৪১ (জি আর ৮৫০, তারিখ: ১৪.১১.২০২৪) এবং অপরটি দস্যুতা সংক্রান্ত মামলার এফআইআর নম্বর ৫১ (জি আর ৮১২, তারিখ: ১৬.১০.২০২৫)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এই অপরাধী চক্রটির সদস্যরা দিনের আলোতে মুখে মাস্ক ও মাথায় লাল-কালো হেলমেট পরে নাম্বার প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে ঘুরে বেড়ায়। চক্রের মূল ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর নির্দেশে বিভিন্ন বয়সী ভাড়াটে বখাটে, ছিনতাইকারী এবং কিছু নারী সদস্যকে ব্যবহার করে মব ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাধ চালানো হচ্ছে। এমনকি তারা ম্যাজিস্ট্রেট বাসভবন সংলগ্ন এলাকায় লুটপাট, ডাকাতি, ব্ল্যাকমেইলিং, সাইবার অপরাধ এবং ভুয়া প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে হ্যান্ডকাফ ও জ্যাকেট ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে অপহরণ ও জিম্মি করার মতো অপরাধে যুক্ত আছেন। ইতোপূর্বে র‌্যাব, ডিবি ও থানা পুলিশের হাতে সরঞ্জামসহ এই চক্রের সদস্যরা গ্রেপ্তার হওয়ার খবর কুমিল্লার স্থানীয় ও জাতীয়  পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে।

পাশাপাশি, অনিবন্ধিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও মেসেঞ্জারে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অশ্লীল ও বিকৃত ছবি এবং ভবিষ্যতে তাঁর লাশের কাফন মোড়ানো প্রতীকী ছবি ছড়িয়ে দিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে,উক্ত এজহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সেই ২০১৯ সাল থেকে পুলিশ রেকর্ড ও থানার তথ্য সুত্রে পাওয়া একাধিক মামলা আছে।তাদের প্রধান পেশায় অপরাধ।টাকার আর যখন যে ভাবে যার সাথে কোন কিছুর বিনিময় হোক সরাসরি জিম্মি করে মামলা ম্যানেজ করে শেষ করে ফেলে। আসামীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে অপরাধী চক্রদের এনে বিভিন্ন পরিকল্পিত অপরাধ সংগঠিত ও বাস্তবায়িত করছে ।এলাকাবাসীর ধারবা তারা সকল জায়গায় তাদের অবৈধ ক্ষমতা আগে থেকে প্রয়োগ করে আসছে ও উক্ত পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ তার সাথে অপরাধ করে।  আমলযোগ্য অপরাধ করে, তাকে জিম্মি করে খাওয়ার সাথে রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে অন্য লোকের মাধ্যমে হত্যা চেষ্টাসহ এমন কোন অপরাধ নাই তারা করছেনা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হযয়ার পর তাকে অন্য দিক দিয়ে জিম্মি করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার চাপের তোপের মুখে অপহরন সন্ত্রাসী বাহিনী বিভিন্ন সময়ে আক্রমন চালিয়ে তার মামলার গতিবিধি অন্য দিকে প্রভাহিত করার জন্য মামলা প্রত্যাহার চাদাবাজি করতে বিভিন্ন লোক মারফত এবং তার পরিচিত চেনা মানুষের দারা টাকার লোভ দেখিয়ে এবং মেয়ে মহিলা ফাদে ফেলে তাদেরকে জিম্মি করে বাদীর পরিচিত মানুষদের কে দিয়ে চাপ দিয়েও মামলা প্রত্যাহার ওয়ারেন্ট কাটিয়ে জামিন প্রাপ্ত হওয়ার জন্য কোশলিক ভাবে অদ্য ১০ জুলাই থেকে ১২'ই জুলাই,  ২০২৪ পর্যন্ত আদালত দিয়ে চেষ্টা করে। অত:পর যখনি জামিন প্রাপ্ত হয় আসামী সেই টাইনে সরাসরি তারা বলে এবার ১০ লাখ টাকা দেয় নয়তো উলটা ফাসিয়ে দিবো। তাদের ষড়যন্ত্র আতংকে বিচলিত অনেক মানুষ। মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান আমার জীবনে সকল ধরনের ক্ষতি তারাই দিবো।পুলিশ প্রশাসন, পি বি আই পুলিশ ও ডিবি পুলিশ সঠিক মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।  কিন্তু তারাই টাকা পয়সা দিয়ে কিছু বিপদগামী লোকজন দিয়ে আমার ক্ষতি করায় এবং আগামীতে ভয়ংকর ক্ষতি করাবে।তারা প্রতি সময়ে অপরাধের গুপ্তচর লাগিয়ে পুলিশ প্রশাসনিক টাকা পয়সা খরচ করে তারা নিজেরা মামলা দিবে বা অন্য কাউকে মামলা দেওয়া একতরফা তদন্ত করে গ্রেপারি পরোয়ানা জারি করবে যদি আগামী ৫ দিনের ৭ লাখ টাকা চাদা তাদের না দেওয়া হয়।

আইনি সুরক্ষার জন্য ভুক্তভোগী সাংবাদিক গত ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অনলাইন জিডি (নম্বর ৯৫৩) দাখিল করেন। এছাড়া অপরাধীদের দ্রুত বিচার ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি (রিসিভড ডকেট নম্বর ৭৫৮১, তারিখ: ১০.০৫.২০২৬) এবং পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত স্মারকলিপি (স্মারক সূত্র নম্বর ৩৮৬৭/m, তারিখ: ২৬.০৫.২০২৬) প্রদান করেন।

একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, আইজিপি, র‌্যাব ডিজি, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, জেলা পিপি, কুমিল্লা সেনা কমান্ড, ডিবি, এনএসআই, ডিজিএফআই, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি এবং কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর অনুলিপি প্রেরণ করেছেন।

এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মী ও “মানবাধিকার খবর”-এর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—

“একজন গণমাধ্যমকর্মী রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের অংশ। তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরও যদি এভাবে বছরের পর বছর নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রশাসনের উচিত আর সময় নষ্ট না করে দ্রুত কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া।”

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দায়ের করা মামলা ও জিডির ভিত্তিতে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামিরা ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করায় তাদের ধরতে কিছুটা সময় লাগছে। তবে খুব দ্রুতই এই চক্রের বাকিদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এমন লাগামহীন ও প্রকাশ্য অপরাধের ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সুশীল সমাজের দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই ছদ্মবেশী অপরাধী চক্রকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে নাগরিক নিরাপত্তা ও আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

রাজধানী টাইমস

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


কুমিল্লায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শুভ্রকে নানা ভাবে হয়রানি ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কুমিল্লায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ  শুভ্রর ওপর লাগামহীন অপরাধচক্র

একের পর এক মামলা ও জিডি করেও মিলছে না  কুমিল্লার এ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীর জীবনের নিরাপত্তা। 

কুমিল্লা নগরীতে পেশাজীবী ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রর ওপর দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে ধারাবাহিক হামলা, চক্রান্ত, চাঁদাবাজি এবং নানামুখী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে একটি সংগঠিত অপরাধী চক্র।  জিআর ও সিআর মামলা, থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সরকারের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি দিয়েও কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা ও প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এই সাংবাদিক। বর্তমানে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল  ২০২৬ তারিখে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র নিজে বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫–৬ জনকে আসামি করে কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত–১ এ একটি সিআর (CR) মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ১৪৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৮৫, ৪২০, ৫০০, ৫১১, ৩৭৯ এবং ৫০৬(২)/৩৪ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়, যার নম্বর ৬১৫/২৫।

কুমিল্লা নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড ইসলামপুরের বাসিন্দা সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান, ২০১৭ সালের ৩ মে থেকে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন। পেশাগত কাজে বাধা, চাঁদা দাবি, প্রকাশ্যে মারধর, এমনকি নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে আসা হেলমেটধারী দুর্বৃত্তরা তাঁর পথরোধ করে ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় এর আগে দু’জন আসামি গ্রেপ্তার হলেও বাকি সহযোগীরা এখনো মামলা প্রত্যাহারের জন্য ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছেন মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে। তাঁর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আরও দুটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে, যার একটির এফআইআর নম্বর ৪১ (জি আর ৮৫০, তারিখ: ১৪.১১.২০২৪) এবং অপরটি দস্যুতা সংক্রান্ত মামলার এফআইআর নম্বর ৫১ (জি আর ৮১২, তারিখ: ১৬.১০.২০২৫)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এই অপরাধী চক্রটির সদস্যরা দিনের আলোতে মুখে মাস্ক ও মাথায় লাল-কালো হেলমেট পরে নাম্বার প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে ঘুরে বেড়ায়। চক্রের মূল ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর নির্দেশে বিভিন্ন বয়সী ভাড়াটে বখাটে, ছিনতাইকারী এবং কিছু নারী সদস্যকে ব্যবহার করে মব ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাধ চালানো হচ্ছে। এমনকি তারা ম্যাজিস্ট্রেট বাসভবন সংলগ্ন এলাকায় লুটপাট, ডাকাতি, ব্ল্যাকমেইলিং, সাইবার অপরাধ এবং ভুয়া প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে হ্যান্ডকাফ ও জ্যাকেট ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে অপহরণ ও জিম্মি করার মতো অপরাধে যুক্ত আছেন। ইতোপূর্বে র‌্যাব, ডিবি ও থানা পুলিশের হাতে সরঞ্জামসহ এই চক্রের সদস্যরা গ্রেপ্তার হওয়ার খবর কুমিল্লার স্থানীয় ও জাতীয়  পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে।

পাশাপাশি, অনিবন্ধিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও মেসেঞ্জারে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অশ্লীল ও বিকৃত ছবি এবং ভবিষ্যতে তাঁর লাশের কাফন মোড়ানো প্রতীকী ছবি ছড়িয়ে দিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে,উক্ত এজহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সেই ২০১৯ সাল থেকে পুলিশ রেকর্ড ও থানার তথ্য সুত্রে পাওয়া একাধিক মামলা আছে।তাদের প্রধান পেশায় অপরাধ।টাকার আর যখন যে ভাবে যার সাথে কোন কিছুর বিনিময় হোক সরাসরি জিম্মি করে মামলা ম্যানেজ করে শেষ করে ফেলে। আসামীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে অপরাধী চক্রদের এনে বিভিন্ন পরিকল্পিত অপরাধ সংগঠিত ও বাস্তবায়িত করছে ।এলাকাবাসীর ধারবা তারা সকল জায়গায় তাদের অবৈধ ক্ষমতা আগে থেকে প্রয়োগ করে আসছে ও উক্ত পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ তার সাথে অপরাধ করে।  আমলযোগ্য অপরাধ করে, তাকে জিম্মি করে খাওয়ার সাথে রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে অন্য লোকের মাধ্যমে হত্যা চেষ্টাসহ এমন কোন অপরাধ নাই তারা করছেনা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হযয়ার পর তাকে অন্য দিক দিয়ে জিম্মি করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার চাপের তোপের মুখে অপহরন সন্ত্রাসী বাহিনী বিভিন্ন সময়ে আক্রমন চালিয়ে তার মামলার গতিবিধি অন্য দিকে প্রভাহিত করার জন্য মামলা প্রত্যাহার চাদাবাজি করতে বিভিন্ন লোক মারফত এবং তার পরিচিত চেনা মানুষের দারা টাকার লোভ দেখিয়ে এবং মেয়ে মহিলা ফাদে ফেলে তাদেরকে জিম্মি করে বাদীর পরিচিত মানুষদের কে দিয়ে চাপ দিয়েও মামলা প্রত্যাহার ওয়ারেন্ট কাটিয়ে জামিন প্রাপ্ত হওয়ার জন্য কোশলিক ভাবে অদ্য ১০ জুলাই থেকে ১২'ই জুলাই,  ২০২৪ পর্যন্ত আদালত দিয়ে চেষ্টা করে। অত:পর যখনি জামিন প্রাপ্ত হয় আসামী সেই টাইনে সরাসরি তারা বলে এবার ১০ লাখ টাকা দেয় নয়তো উলটা ফাসিয়ে দিবো। তাদের ষড়যন্ত্র আতংকে বিচলিত অনেক মানুষ। মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান আমার জীবনে সকল ধরনের ক্ষতি তারাই দিবো।পুলিশ প্রশাসন, পি বি আই পুলিশ ও ডিবি পুলিশ সঠিক মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।  কিন্তু তারাই টাকা পয়সা দিয়ে কিছু বিপদগামী লোকজন দিয়ে আমার ক্ষতি করায় এবং আগামীতে ভয়ংকর ক্ষতি করাবে।তারা প্রতি সময়ে অপরাধের গুপ্তচর লাগিয়ে পুলিশ প্রশাসনিক টাকা পয়সা খরচ করে তারা নিজেরা মামলা দিবে বা অন্য কাউকে মামলা দেওয়া একতরফা তদন্ত করে গ্রেপারি পরোয়ানা জারি করবে যদি আগামী ৫ দিনের ৭ লাখ টাকা চাদা তাদের না দেওয়া হয়।

আইনি সুরক্ষার জন্য ভুক্তভোগী সাংবাদিক গত ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অনলাইন জিডি (নম্বর ৯৫৩) দাখিল করেন। এছাড়া অপরাধীদের দ্রুত বিচার ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি (রিসিভড ডকেট নম্বর ৭৫৮১, তারিখ: ১০.০৫.২০২৬) এবং পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত স্মারকলিপি (স্মারক সূত্র নম্বর ৩৮৬৭/m, তারিখ: ২৬.০৫.২০২৬) প্রদান করেন।

একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, আইজিপি, র‌্যাব ডিজি, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, জেলা পিপি, কুমিল্লা সেনা কমান্ড, ডিবি, এনএসআই, ডিজিএফআই, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি এবং কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর অনুলিপি প্রেরণ করেছেন।

এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মী ও “মানবাধিকার খবর”-এর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—

“একজন গণমাধ্যমকর্মী রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের অংশ। তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরও যদি এভাবে বছরের পর বছর নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রশাসনের উচিত আর সময় নষ্ট না করে দ্রুত কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া।”

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দায়ের করা মামলা ও জিডির ভিত্তিতে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামিরা ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করায় তাদের ধরতে কিছুটা সময় লাগছে। তবে খুব দ্রুতই এই চক্রের বাকিদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এমন লাগামহীন ও প্রকাশ্য অপরাধের ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সুশীল সমাজের দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই ছদ্মবেশী অপরাধী চক্রকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে নাগরিক নিরাপত্তা ও আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।


রাজধানী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. শাহিদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত রাজধানী টাইমস ২৪