রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের চর ধোপাখালী গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আফজাল শেখের ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি গোয়ালন্দ উপজেলার পশ্চিম উজানচর মৌজায় যার খতিয়ান নং ১৩৩ এর ১৬ শতাংশ জমি জোর করে দখল ও জমি থেকে কলাগাছ উপড়ে ডোবায় ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযুক্তরা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের চর ধোপাখালী গ্রামের মৃত আফছার শেখের ছেলে মোঃ আলম শেখ (৬৫) ও আলম শেখের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০)।
ভুক্তভোগী পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর ওয়ারিশ ও ক্রয় করা সূত্রে গোয়ালন্দ উপজেলার পশ্চিম উজানচর মৌজায় ১৩৩ নং খতিয়ানে ১৬ শতাংশ জায়গা রয়েছে। ভুক্তভোগী উক্ত জায়গার ৮ শতাংশে ১০০ টির উপরে কলাগাছের চারা রোপণ করেন। বিবাদীগণ গত ২২ জুন আনুমানিক বেলা ৩ টার দিকে জমিতে উপস্থিত হয়ে কলা গাছের চারা উপড়ে পাশের ডোবায় ফেলতে থাকে। এসময় ভুক্তভোগী বাঁধা দিতে গেলে বিবাদীগণ ভুক্তভোগীকে হুমকি ধামকি দেয়
ভুক্তভোগী আফজাল শেখ জানান, বিবাদীগণ সম্পর্কে আমার প্রতিবেশী। তারা বিভিন্ন সময় আমার নিজ দলীয় জমি জোর করে দখল নেয়ার চেষ্টা করে। তিনি আরও বলেন, আমি আমার জমিতে ১০০ টির উপরে কলাগাছের চারা রোপণ করি। বিবাদীরা গতমাস জুলাই ২২ তারিখে জমিতে উপস্থিত হয়ে আমার সব চারা উপড়ে পাশের ডোবায় ফেলতে থাকে। আমি বাধা দিলে আমাকে গালিগালাজ করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে আমি গত ২৭ জুন খানখানাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সরণাপন্ন হলে বিষয়টি নিয়ে বসার পর কোনো রকম সমাধান না পেয়ে আজ ৩০ জুন খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ দায়ের করি।
অভিযুক্ত মোঃ আলম শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা পরস্পর একে অপরের আত্মীয়। ওদের অভিযোগ সত্য নয়। ওই জায়গা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। আমরা এ বিষয়ে খানখানাপুর চেয়ারম্যানের কাছে বসেছিলাম। আমাদের জমির সব কাগজপত্র আছে। আমি তাদের কোনো প্রকার ভয়ভীতি দেখায়নি।
এ ব্যাপারে খানখানাপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. জিয়া বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।