তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় উদ্যোগে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে ওঠা সমালোচনার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দীন।
গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সেমিনারে দেশের ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই শতাধিক (২৫০ জনের বেশি) শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্যোক্তা অংশ নেন। এর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগের ১০ জনসহ মোট ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
তবে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রসংগঠনের নামমাত্র সুযোগ পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভুল বোঝাবুঝির ব্যাখা দিয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দীন বলেন, “ প্রশাসন থেকে আমাদের কাছে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে কিছু শিক্ষার্থীর নির্ভুল তথ্য চাওয়া হয়েছিল। শর্ত ছিল, শিক্ষার্থীদের এমন হতে হবে যারা প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী চিন্তা-ভাবনা নিয়ে কাজ করে বা এ বিষয়ে গভীর আগ্রহ রাখে।”
তিনি আরও বলেন, “যেহেতু কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগের শিক্ষার্থীরা সরাসরি এই প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে পড়াশোনা এবং গবেষণা করে, তাই তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি নিজে সিএসই বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা ও প্রজেক্ট সম্পর্কে অবগত ছিলাম। সেই বিবেচনাতেই দ্রুততম সময়ে তাদের তথ্য রেজিস্ট্রারের দপ্তরে পাঠানো হয়।”
ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে সুযোগ দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে প্রক্টর জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) প্রতিনিধিদের কারও সাথে তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎ প্রেক্ষিতে তারা তাদের তথ্য প্রদান করায় তাদের নামও তালিকায় যুক্ত হয়। এখানে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি, বরং মেধা ও দ্রুত যোগাযোগের ভিত্তিতেই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছিল।