রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে চান্দু মোল্লা মৎস্য আড়ৎ নামে একটি মাছের আড়তে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। হামলায় দুই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
আহতরা হলেন মোঃ মমিন মন্ডল (৩৬) ও শাহাদাৎ বেপারি (৩২)। এ ঘটনায় শনিবার গোয়ালন্দঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন চান্দু মোল্লা মৎস্য আড়তের মালিক, উত্তর দৌলতদিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. চাঁন্দু মোল্লা (৩৮)।
অভিযোগে তিনি স্থানীয় জেলে রমজান শেখ, জয়নাল শেখ, আমিন মণ্ডলসহ আরও ৩-৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৭ জুলাই শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে অভিযুক্ত রমজান শেখ মাছ বিক্রি করতে গেলে মাছের দাম নির্ধারণকে কেন্দ্র করে চান্দু মোল্লার ব্যবসায়ী সহযোগী মমিন মন্ডল ও শাহাদাতের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে রমজান বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যান। দুপুর দেড়টার দিকে রমজান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধভাবে আড়তে এসে হামলা চালায়। এ সময় চান্দুর খালাতো ভাই ও ব্যবসায়ীক সহযোগী মো. মমিন মণ্ডলকে ধারালো চাপাতি দিয়ে মাথায় সজোরে কোপ দেয়। তাকে রক্ষা করতে গেলে ভাগ্নে মো. শাহাদাৎ বেপারীকেও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়।
এ সময় হামলাকারীরা লাঠিসোটা ও রড দিয়ে দোকানের চেয়ার, ফ্যান, লাইটসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ১২ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন এবং দোকানের ককশিটের মধ্যে রাখা ব্যবসায়ের নগদ ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, “ মাছের আড়তে হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করতে তারা কাজ করছেন।