সিলেটে মহানগর যুব মহিলা লীগের নেত্রী লাকি আক্তার ওরফে লাকি আহমেদ নগরীর দরগা গেইট জালালিয়া আবাসিক হোটেলে বন্ধুকে নিয়ে একান্ত সময় কাটাতে রুম ভাড়া না দেওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষের সাথে ব্ল্যাকমেইলিং করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়,৭ জুলাই (মঙ্গলবার) অনুমান সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় তার ঘনিষ্ট বন্ধু সাপ্তাহিক অভিযোগ বার্তার সিলেট প্রতিনিধি কে নিয়ে একান্ত সময় কাটাতে জালালিয়া আবাসিক হোটেলে একটি রুম ভাড়া চান। এতে কর্তব্যরত হোটেল ম্যানেজার তাকে রুম ভাড়া দিতে মানা করলে লাকি ও তার বন্ধু ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ শুরু করে ব্ল্যাকমেইলিং শুরু করেন।
ফোনে একটি ছেলে ও মেয়েকে ডেকে এনে পতিতাবৃত্তি আবাসিক হোটেল বলে অপপ্রচার করে এবং নিজেকে একজন সাংবাদিক হিসেবে লাকি আক্তার দাবী করেন উপস্থিত। ওই সময় আরো দু’জন লাইভারকে ফোনে হোটেলে ডেকে এনে উক্ত হোটেল ম্যানেজারের কাছে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। হোটেল কর্তৃপক্ষ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে ভূয়া সাংবাদিক লাকি আহমেদ নিজেকে সাংবাদিক দাবী করে নিউজ করবে এবং লাইভ করে দেশ বিদেশে হোটেলের সুনাম নস্ট করবে মর্মে হুমকি দিতে থাকে।
এসময় হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রতিবাদ করিলে বেপরোয়া লাকি আহমেদ তার সাজানো একজন পুরুষ মহিলাকে দিয়ে নাটক সাজিয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে একটি নেটওয়ার্কের অশোভ ইঙ্গিতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে একটি চক্র তৎপর রয়েছে, সেই সূত্র ধরে এই ঘটনার সৃষ্টি।
এসময় উৎসুক জনতা মিলে লাকিকে গণধোলাই দেয়।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানান, লাকি আহমেদ দীর্ঘ দিন ধরে নানা কৌশলে বিভিন্ন ধরণের পরিচয় দিয়ে এই হোটেলে চাঁদা দাবি করে আসছে। সে সিলেট নগরীর বিভিন্ন হোটেল থেকে সাপ্তাহিক ও মাসিক চাঁদা আদায় করে আসছে।
জানা গেছে, অনেকেই ভয়ে চাঁদা দিয়ে দেয়, কেউ না দিলে তাদের বিরুদ্ধে লাকি তার চক্র ধারা বিভিন্ন নাটক সাজিয়ে অপদস্ত করে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সে একজন বেপরোয়া চাঁদাবাজ হিসেবে লাকি সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি কালে আটক হয়ে অপমানিত ও গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দফায়-দফায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। লাকি কখনও সাংবাদিক কখনও যুব মহিলা লীগ নেত্রী আবার কখনও পুলিশের সোর্স দাবী করে সিলেটের বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর সংবাদ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।