বারবার কেন পুনরাবৃতি ঘটছে?

রাজধানী টাইমসের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এই দেশ আমাদের । এই দেশ মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে রক্তে কেনা বাংলাদেশে। এই দেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। কোন ধর্মান্ধগোষ্ঠীর ইচ্ছায় এ দেশে পরিচালিত হতে পারে না। সামাজিক অর্থনৈতিক এবং চিন্তার মুক্তির জন্য এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৫১ বছরে আমরা দেখি এর বিপরীত চিত্র।

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। আর শিক্ষকরা হলেন সেই জাতি তৈরির কারিগর। সেই কারিগর শিক্ষক সমাজ আজ ভালো নেই, শিক্ষকরা আজ লাঞ্চিত, অপদস্ত, অপমানিত, শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা নেই, নেই জীবনের নিরাপত্তা। একদল স্বার্থান্বেসী মানুষ নামের অমানুসিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে বারবার এক শ্রেণির ধর্মের শিক্ষকদেরকে বলি দেওয়া হচ্ছে। এই থেকে বেরিয়ে আসা জরুরী এবং এই থেকে বেড়িয়ে আসতে না পারলে শিক্ষাকে যেমন বাঁচানো যাবে না আর তাতে জাতির যে দৈন্যতা তৈরি হবে তাতে সমগ্র ব্যবস্থায় এক অরাজকতা সৃষ্টি হবে, ভেঙ্গে পড়বে কাঠামো বিন্যাস। আমরা এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। সরকার এবং রাষ্ট্রকেই সেই দায়িত্ব নিতে হবে। শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

চলমান সংকটের গত এক সপ্তাহের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে পাওয়া কিছু ঘটনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরার চেষ্টা করছি। “৩০ বছর ধরে আমি এই কলেজে শিক্ষকতা করি। ছাত্ররা আমার প্রাণ, স্থানীয়রাও আমাকে ভালোবাসত। তবু আমার সঙ্গে যা ঘটে গেল, এরপর এই মুখ নিয়ে কী করে আমি কলেজে যাব”- বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলছিলেন নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস।
চূড়ান্ত হেনস্তার বর্ণনা দিয়ে শিক্ষক স্বপন কুমার বলেন, ‘পুলিশ আমাকে কলেজ কক্ষ থেকে বের করে আনে। তখন দুই পাশে শত শত পুলিশ ছিল। এর মধ্যেই স্থানীয়রা আমাকে পুলিশের সামনেই জুতার মালা পরিয়ে দিল। আমাকে পুলিশ ভ্যানের কাছে নেয়ার সময় পিছন থেকে অনেকে আঘাত করেন। আমি মাটিতে পড়ে যাওয়ায় পায়ের কিছু জায়গায় কেটে যায়। তখন অনুভব করি পিছন থেকে কেউ আমার মাথায় আঘাত করছে।’
ঘটনার পর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। গত এক সপ্তাহে তিনবার ঠিকানা বদল করেছেন তিনি।
প্রশাসনের দাবি, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষককে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরিয়ে দেয়ার দৃশ্য ফেসবুকে ভাইরাল হলেও পুলিশের দাবি, তারা এ সম্পর্কে কিছুই জানে না।

এরই মধ্যে কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিবর্তনের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, ‘মাস খানেক আগে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পাঁচজন কর্মচারী নিয়োগের চেষ্টা চালায় কলেজের প্রভাবশালী একটি চক্র। এতে বাধা দেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস। এরপর থেকেই চক্রটির তোপের মুখে আছেন তিনি।’

বিজ্ঞাপন

দেওয়ান মাবুদ আহমেদ নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাটেড ডিগ্রি কলেজের ছাত্র রাহুল দেবরায় ভারতের নুপূর শর্মাকে সমর্থন করে একটি ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেয়ায় তার সহপাঠীরা তাকে আক্রমণ করে। রাহুল প্রাণ বাঁচানোর জন্য দৌড়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে ঢুকলে প্রিন্সিপাল স্বপন কুমার বিশ্বাস ঘরের দরজা লাগিয়ে পুলিশকে ফোন করেন। এই অপরাধে রাহুলসহ অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে শত শত পুলিশের উপস্থিতিতে জুতার মালা পরিয়ে প্রহার করা হয়। ওইদিন ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা কলেজ চত্বরে থাকা শিক্ষকদের তিনটি মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দেয়। তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জসহ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ছোঁড়ে। ঘটনার সময় ২ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

ঘটনা ২ঃ ১৯ জুন ২০২২
বাগেরহাটে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) কে নিয়ে ফেসবুকে রনিত বালা রনি নামে এক কলেজ ছাত্রী’র কটুক্তি ও অবমাননাকর পোস্ট দেয়ার অভিযোগে উত্তেজিত জনতা সোমবার দুপুরে চিতলমারী থানায় হামলা, পুলিশের দুটি গাড়ী, ৪টি মোটরসাইকেলসহ থানার জানালার কাঁচ ও আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে। উত্তেজিত জনতার হামলায় ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময়ে পুলিশ সরকারী সম্পদ রক্ষা ও উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ২৪ রাউন্ড সর্টগানের গুলি ছুড়লে অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে ৯ জন চিতলমারী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। পরিবেশ শান্ত রাখতে বাগেরহাট থেকে চিতলমারী থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। রণিত বালা অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেন, তিনি বলেন তার ফেইসবুক একাউন্ট হ্যাক করে ইচ্ছাকৃতভাবে একটা মহল এই কাজ করেছে।

ঘটনা ৩ঃ ২২ জুন ২০২২
এবার ধর্ম নিয়ে কিছু না বলেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) দুই হিন্দু শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ। তারা হলেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান সঞ্জয় সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উন্মেষ রায়। বর্তমানে ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন নামে পেইজ, গ্রুপ খুলে অহরহ হিন্দু বিদ্বেষী পোষ্ট করা হচ্ছে। জানা গেছে, অধ্যাপক সঞ্জয় সরকার জামাতপন্থী ধর্মীয় বক্তা আহমাদুল্লাহর বলা একটি বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি ফেসবুকে লিখেন ‘আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মৌলবাদ ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দিয়ে পেজ খুলে সেসব প্রচার করা হচ্ছে। এসবের দায় একদিন আমরা কেউ এড়াতে পারবো না।’ আর উন্মেষ রায় রংপুর ক্যান্ট পাবলিক কলেজের এক পরীক্ষায় ইভ টিজিং এর জন্য মেয়েদের কাপড় পরাকে দায়ী করে একটি প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করায় তার বিরোধীতা করে ফেইসবুকে একটা বক্তব্য দেন। তাদের এইসব বক্তব্যকেই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হিসেবে চিণহিত করে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। ইতিমধ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরারবর লিখিত অভিযোগও দাখিল করেছেন।

ঘটনা ৪ঃ ২৫ জুন ২০২২
নড়াইলে ইসলাম ধর্ম অবমাননাকর একটি ছবি ফেসবুকে শেয়ার করার অভিযোগে তনু দত্ত (২৭) নামে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার উজিরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন পিপিএম সমকালকে বলেন, ঘটনা শোনার পর আহত অবস্থায় তনুকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তনু এ ধরণের ছবি শেয়ার করার কথা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত তনু দত্ত জানান, এ ধরনের একটি ছবি ফেসবুকে দেখতে গিয়ে ভুল করে শেয়ার হয়ে গেছে। এটা সে ইচ্ছা করে করেনি। পরে বুঝতে পেরে সে এই শেয়ার ডিলিট করে দেয়।

ঘটনা ৫ঃ ২৬ জুন ২০২২
সাভারের আশুলিয়ায় উৎপল কুমার সরকার (৩৫) নামের এক কলেজশিক্ষককে স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছেন তারই এক শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলো চিত্রশালাই এলাকার উজ্জ্বল হাজীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম জিতু। সে হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে। আহত শিক্ষক উৎপল সরকার ওই প্রতিষ্ঠানের কলেজ শাখার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে এখানে শিক্ষকতা করছেন এবং শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বলেন, স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিলেন শিক্ষক উৎপল। কিছু বুঝে ওঠার আগে ওই শিক্ষার্থী হঠাৎ এসে ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত শুরু করে তাকে। পরে উৎপলকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আরও বলেন, উৎপল স্কুলের শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি। এ সুবাদে তিনি ছাত্রদের বিভিন্ন সময় আচরণগত সমস্যা নিয়ে কাউন্সেলিং করতেন। বিভিন্ন অপরাধের বিচারও তিনিই করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, শিক্ষকের ওপর ছাত্রের পূর্ব ক্ষোভ থাকায় এ ঘটনা ঘটাতে পারে।

এদিকে নিহতের পরিবারের লোকেরা অভিযোগ করে অভিযুক্ত জিতুকে পুলিশ গ্রেফতার করেও প্রভাবশালী মহলের তদবিরের কারণে তাকে ছেড়ে দিয়েছে।

এই হল গত এক সপ্তাহের বাংলাদেশের একটা ভিন্ন চিত্র। যে বাংলাদেশ পদ্মা সেতুর আনন্দে উল্লসিত, উদ্বেলিত সেই দেশে প্রায় প্রতি দিনই কোন না কোন ভাবে হিন্দু শিক্ষক, ছাত্র কিংবা সাধারণ মানুষ নিষ্পেষিত হচ্ছেন। এত সব ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে, গাড়ি ভাংচুর হচ্ছে, মানুষ আহত হচ্ছে, জ্বালাও পোড়াও হচ্ছে মিডিয়ায় এর কোন প্রচার দেখতে পাচ্ছেন ? এই যে এত শিক্ষক নির্যাতিত হচ্ছেন, মারা যাচ্ছেন দেশের শিক্ষক সমিতিগুলো কি কোন বক্তব্য রেখেছে ? কোন প্রতিবাদ জানিয়েছে ? জানাচ্ছে না, কারণ হল, তারা এই শিক্ষকদের পেশাগত পরিচয়কে আর প্রাধাণ্য দিচ্ছে না। এখানে নিপীড়িতদের পরিচয় তারা হিন্দু তাদের আর কোন পরিচয় নেই। সামান্য কিছু বামপন্থী কর্মী, শাহবাগী এক্টিভিস্ট আর সংস্কৃতি কর্মী ছাড়া দেশের মূল ধারার জনগণেরও এ বিষয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই, কারণ দেশের মানুষ হিন্দুদের সমস্যাকে নিজেদের সমস্যা মনে করে না। এই দেশের প্রশাসন, সরকার, জনগণ, মিডিয়া ধীরে ধীরে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ডিজওউন করে ফেলেছে। এই ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়ে একশ্রেণি যেমন তাদের স্বার্থকে চরিতার্থ করে রাষ্ট্র এবং সরকারের ভাবমুর্তিকে কলঙ্কিত করছে।

পরিশেষে এইটুকু বলি আমরা এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। প্রতিটি ঘটনার সঠিক তদন্ত করে আসল অপরাধীদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। যাতে কেউ এইরকম ঘটনা পুনরাবৃত্তি করার সাহস না পায়। আমরা আমাদের অধিকার নিয়ে সামাজিক মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচতে চাই। আমরা রাষ্ট্রের উন্নয়ন এবং উন্নতির অংশীদার হয়ে থাকতে চাই। আমরা আমাদের মাতৃভূমিতে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকতে চাই। রাষ্ট্র এবং সরকার এই নিশ্চয়তা দিবে এটাই প্রত্যাশা রাখি।

সুধীর বরণ মাঝি, শিক্ষক, হাইমচর সরকারি মহাবিদ্যালয়, হাইমচর, চাঁদপুর।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল rajdhanitimes24.com এ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয়- মতামত, সাহিত্য, ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার ছবিসহ লেখাটি পাঠিয়ে দিন rajdhanitimes24@gmail.com  এই ঠিকানায়।

শীর্ষ সংবাদ:
কোন বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সিলেটে এ বছর কুরবানী পশু প্রস্তুত ৪ লাখ ৩০৩৯৭ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ অবস্থান থেকে সতর্ক থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব: ডিসি আরিফুজ্জামান এমপি আনারের লাশ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই: ডিবি মতলব উত্তরে বিকাশ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা এমপি আনোয়ারুল হত্যা: সন্দেহভাজন তিনজন ৩ দিনে ফ্ল্যাট থেকে বের হন ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের উপকারিতা ও গুনাগুণ সম্পর্কে কৃষকদের অবহিতকরণ দ্বিতীয় ধাপে আরও কমল ভোটের হার, এবার রাজনীতিকে দুষলেন সিইসি ভূরুঙ্গামারীতে মোবাইল কিনে না দেওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা কাউখালীতে রাত পোহালেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন রাত পোহালেই শেরপুরের দুই উপজেলায় ভোট মতলব উত্তরে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৭ বছর পর আটক ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর খবরে বেড়েছে তেলের দাম কচুয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাতক্ষীরার আম দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন ইউরোপে লালমোহনে দুদকের উদ্যোগে ২য় পর্বের বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মরদেহ উদ্ধার ভোলায় ষষ্ঠ ধাপে ভোটগ্রহণ আগামীকাল ডিবি কার্যালয়ে হেফাজত নেতা মামুনুল হক যশোরে ভোট বর্জনের আহ্বানে বিএনপির লিফলেট বিতরণ